Home » বরিশাল » গ্রীনলাইন ওয়াটার বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি

গ্রীনলাইন ওয়াটার বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ মাঝনদীতে বিকল হয়ে পাঁচ শতাধিক যাত্রী নিয়ে আটকে থাকার ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল রুটের দিবা সার্ভিস গ্রীন লাইন-২ এর যাত্রা স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক আজমল হুদা সরকার মিঠু।

তিনি জানান, ডিজি সিপিং কর্তৃক ফিটনেস সনদ না দেয়া পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক বরিশাল-ঢাকা রুটের দূর্ঘটনা কবলিত এমভি গ্রীন লাইন-২ এর যাত্রা স্থগিত করা হয়েছে। ফলে দিবাসার্ভিসের লঞ্চ এমভি গ্রীন লাইন-২ কে পুনরায় ফিটনেস সনদ নিতে হবে। জলযানটি যতোদিন যাবত চলাচলে উপযোগী না হবে, ততদিন ভয়েস ডিকলারেসন (অনুমতি) দেয়া হবেনা বলেও জানিয়েছেন উপ-পরিচালক আজমল হুদা সরকার মিঠু। তবে এ ঘটনায় জানমালের কোনো ক্ষয়ক্ষতি নেই বলে মামলা বা তদন্ত করা হবেনা বলেও ওই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, গ্রীনলাইন-২ লঞ্চটি গত ৩০ নভেম্বর ঢাকার ফতুল্লা নামকস্থানে একটি বালবাহী বালগেটের সাথে ধাক্কা লেগে ত্রুটিপূর্ণ হওয়া সত্বেও মাস্টারের অযোগ্যতার কারণে পরেরদিন শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। ত্রুটিপূর্ণ ওয়াটার বাসটি দুপুর একটার দিকে বরিশালের হিজলার মেঘনা নদীর ধূলিয়া নামক এলাকায় সুকান ভেঙ্গে পাঁচশ’ যাত্রীসহ একটি চরে আটকে পরে। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে বরিশাল থেকে তিনটি অভ্যন্তরীন রুটের লঞ্চ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে গ্রীন লাইনে আটকে পড়ার দশ ঘন্টা পর রাত এগারোটার দিকে যাত্রীরা বরিশাল নদী বন্দরে পৌঁছে। এদিকে ওইদিন যাদের বরিশাল থেকে ঢাকা যাওয়ার কথা ছিলো তারাও দূর্ভোগে পরে যায়। এরআগেও চলতি বছরের ২২ এপ্রিল কীর্তনখোলা নদীর চরবাড়িয়া পয়েন্টে বালুবাহী কার্গোর সাথে এমভি গ্রীনলাইন-২ লঞ্চের ধাক্কা লেগে কার্গোটি ডুবে যায়। ওইসময়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায় পাঁচশতাধিক যাত্রী।