Home » ক্যাম্পাস » ঢাবিতে ছাত্রলীগের ৪ ইয়াবা সম্রাটের রাজত্ব।।সকালের সংবাদ

ঢাবিতে ছাত্রলীগের ৪ ইয়াবা সম্রাটের রাজত্ব।।সকালের সংবাদ

রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ও দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে মরণ নেশা ইয়াবার আগ্রাসন। ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানে ইয়াবার সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ৪ নেতা। সঙ্গে আরো কয়েকজন ছোটখাটো নেতাও ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত বলে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের উঠে এসেছে। এমনকি পুলিশের খাতায়ও তাদের নাম রয়েছে বলে পূর্বপশ্চিমকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

সূত্র নিশ্চিত করে আরো জানিয়েছে, ক্যাম্পাসের পাশে চানখাঁরপুল, পলাশী, নীলক্ষেত ও ঢাকা কলেজের সামনে ইয়াবা পাওয়া যায়। যোগাযোগ থাকলে হলের রুমে পৌঁছে দিয়ে যায় বিক্রেতারা। পলাশী ও আজিমপুরে লালবাগের শামীম এবং চানখাঁরপুলে বংশালের মুরাদ এ ব্যবসায় জড়িত।

জানা গেছে, সাতক্ষীরা ও চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবার চালান ধানমণ্ডি হয়ে ক্যাম্পাসে আসে। শহীদ মিনারে এর ভাগবাটোয়ারা হয়। ছাত্রলীগের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা এসব চালান নিয়ন্ত্রণ করছেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে ৪ জন ইতিমধ্যেই ইয়াবা সম্রাট হিসাবে খ্যাতি লাভ করেছেন। যাদের মধ্যে একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের নাম সবার ওপরে এসেছে। এছাড়া একজন সাংগঠনিক সম্পাদক যিনি আগে একটি হলের ছাত্রলীগের কমিটির সভাপতি ছিলেন তিনিও রয়েছেন। তাদের দু্‌’জনকে বাদ দিয়ে একজন সহ-সভাপতি ও একজন উপ সম্পাদক রযেছেন। যারা নিয়মিত এ ব্যবসা পরিচালনা করে অগাদ অর্থবিত্তেরও মালিক বনে গেছেন বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি সূত্রটি। তবে এ প্রতিবেদকে প্রতিবেদনে অভিযুক্তদের নাম দেখানো হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাবির আবাসিক হলগুলোর মধ্যে সলিমুল্লাহ হল, হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল, জগন্নাথ হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ও মাস্টার দা সূর্যসেন হলে ইয়াবার আগ্রাসন বেশি চলছে।

শাহবাগ থানা ও নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি সূত্র বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু স্থান মাদক সেবনের আখড়া। পুলিশ সরাসরি ব্যবস্থা নিতে পারে না বলে অপরাধীরা ক্যাম্পাসকে নিরাপদ জোন হিসেবে বেছে নিয়েছে। ঢাকার বাইরে থেকে আসা মাদকের চালান সেখান থেকে ভাগাভাগি করা হয় বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এম আমজাদ আলী বলেন, ক্যাম্পাসকে মাদকমুক্ত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রায়ই অভিযান চালানো হয়। কয়েকটি হলে আবার মাদক সেবন বেড়েছে। ব্যবসাও হচ্ছে। বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে