Home » অপরাধ » পিরোজপুরে ধর্ষনের দায়ে দু,জনকে যাবজ্জীবন ও একজনকে ৭ বছরের কারাদন্ড

পিরোজপুরে ধর্ষনের দায়ে দু,জনকে যাবজ্জীবন ও একজনকে ৭ বছরের কারাদন্ড

পিরোজপুর প্রতিনিধি :  পিরোজপুরে ধর্ষনের দায়ে দু,জনকে যাবজ্জীবন ও একজনকে ৭ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এসএম জিল্লুর রহমান রোবরাব দুপুরে এ রায় দেন। একটি ধর্ষণ মামলার রায় দিয়েছেন।
যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন: তসলিম হাসান বাপ্পি (২৩) ও তার বন্ধু ইমরান হোসেন (২০)। এছাড়া তসলিম হাসান বাপ্পির বাবা শহিদুল ইসলাম ফরিদ মহাজনকে ৭ বছর কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন বিচারক। মামলার অপর দুই আসামি তাছলিমা বেগম ও আঃ জলিল মহাজনকে খালাস দিয়েছেন বিচারক। এছাড়া দন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে তসলিম হাসানকে এক লাখ টাকা অনাদায়ে আরো এক বছরের জেল এবং ইমরানকে ৫০ হাজার টাকা অনাদায়ে এক বছরের কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়।
আসামিরা সবাই পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের কালিকাঠী গ্রামের বাসিন্দা।
ঘটনার বিবরণে জানাগেছে ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি রাতে শহিদুল ইসলাম ফরিদ মহাজনের ছেলে তসলিম হাসান
বাপ্পি নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইমরানের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। তাকে বিয়ে করবে এমন লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করায় অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে বিয়ে দেয়ার কথা বলে বাপ্পির বাবা শহিদুল ইসলাম ফরিদ মেয়ের বাবাসহ ঢাকায় যায়। বিয়ে না দিয়ে সে বছরের ১৯ মে একটি ক্লিনিকে মেয়েটির গর্ভপাত করানো হয়। পরে বিভিন্ন বাহানা করে তাদের মধ্যে বিবাহ না দিয়ে মেয়েটিকে ছেলের বাবা শহিদুল ইসলাম ফরিদ তাড়িয়ে দেন।
মেয়ের বাবা নিরুপায় হয়ে ওই বছরের ৩ জুন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পিরোজপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে সদর থানার এস আই মনিরুজ্জামান ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন। ধর্ষিতা মেয়েকে ছেলের সাথে বিয়ে না দিয়ে কৌশলে গর্ভপাত করানোর অপরাধে বাপ্পির বাবা শহিদুল ইসলাম ফরিদ মহাজনের ৭ বছরের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।